ভারতের হরিয়ানায় স্বেচ্ছায় ৭ টি পরিবার সনাতন ধর্মে ফিরে এসে পালন করছে হিন্দু হিন্দু রীতিনীতি

হরিয়ানায়, অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শকসহ সাতটি পরিবার স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্মে ফিরে এসে সনাতন ধর্মে ফিরে এসে হিন্দু হল ।
নয়াদিল্লি: দিল্লি থেকে মাত্র ৬০০ কিলোমিটার দূরে হরিয়ানার ভোগীপুর গ্রাম আজকাল আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কারণ সেই গ্রামের ৭ টি মুসলিম পরিবার স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্মে ফিরে এসে হিন্দু হয়েছে । তাদের সনাতন ধর্ম গ্রহণ করার কোন ভয় দেখানো হয়নি, বা কোনও প্রলোভনও দেওয়া হয়নি । তারা সনাতন ধর্মে দীক্ষিত হয়ে সনাতন ধর্মানুসারি হিন্দু হওয়ার আগে তারা সনাতন ধর্মের নিয়ম নীতি পালন করত । শুধু ওই পরিবারগুলি জীবনের শেষকাজ ইসলামিক আচার অনুসারে দাহ করা হয়েছিল । এবার সনাতন ধর্ম গ্রহণ করার পরে তারা সনাতন রীতি অনুসারে সমস্ত বিধি মেনে চলেন ।
এই সমস্ত পরিবারের হাতে গীতা হস্তান্তর করেছেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের মন্ডল প্রধান সুমিত অ্যানি এবং সনাতন ধর্মে তাদের স্বাগত জানানো হয়েছে । অবসরপ্রাপ্ত উপ-পরিদর্শক বলবীর সিং একসময় মুসলিম ছিলেনর এখন সনাতন ধর্মে দীক্ষিত হয়ে হিন্দুদের আপন করে নিয়েছেন ।
তাদের মধ্যে অনেকে বলেছিলেন যে সত্য যে তারা এখন সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেছেন । তবে এর অনেক আগে থেকে তারা সনাতন রীতিনীতি অনুসারে সবকিছু পালন করত। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সনাতন ধর্মে ধর্মান্তরিত সুরেশ কুমার বলেছিলেন, “আমাদের পূর্বপুরুষ কয়েক দশক আগে সনাতন ধর্মানুসারি ছিলেন, কিন্তু তারা ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল।”
বেশ কয়েক বছর ধরে তারা সনাতন ধর্মে ফিরে আসার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করে এবং তারা সনাতন রীতিনীতি অনুসরণ করতে শুরু করে । তারা সবাই ধোপা সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত । এদের ৭ টি পরিবার যারা সনাতন ধর্মে ফিরে এসে হিন্দু হল । তার আনন্দিত যে, তারা পুর্বপুরুষদের ধর্ম , সনাতনে ফিরে আসতে পেরেছে । এবার তারা মুসলিম শব্দটি সরিয়ে মনে প্রাণে সনাতন ধর্মে ফিরে এস প্রকৃত হিন্দুতে পরিণত হয়েছে এবং গ্রামবাসীরাও তাদের স্বাগত জানিয়েছে সনাতন ধর্মে ফিরে আসার জন্য ।
সনাতন ধর্মে ধর্মান্তরিত সমস্ত পরিবারের সদস্যরা বলেছেন যে তাদের ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য তাদের উপর চাপ দেওয়া হয়নি বা লোভ দেখানো হয়নি। তারা স্বেচ্ছায় সনাতন ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে

লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তর প্রতিরোধে বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিবাদ

আসুন বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিবাদ জানাই । অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে সংস্কৃতি কখনো এক তরফা হতে পারে না । বৈষম্যহীন প্রতিভা হলো- মিডিয়া জগতে সনাতন ধর্মকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে , সনাতন ধর্মানুসারি হিন্দুদের দিক ভ্রান্ত করনে নাটক , সিনেমা টেলিফিল্ম , সিরায়াল , উপন্যাস প্রচার করা । এই প্রতিভার সাম্যতার জন্য বৈষম্যহীন প্রতিভার অধিকারীদের উচিত এরকম প্রতিভা বিকশিত না করা ।

এদের প্রতিভা এতই বিকৃত সম্পূর্ণ যে , সনাতন ধর্মানুসারিদের ধর্মান্তরিত করাই হল এদের প্রধান বিষয় । ধর্ম কি ধর্মান্তরে ? ধর্ম তো থাকে তার কর্মে এবং সত্তায় । ধর্মান্ধদের ধারনা , সনাতন অনুসারি হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করতে পারলে মানুষ প্রকৃত ধর্মানুসারি হবে ।

ধর্ম কখনো ধর্মান্তরে নয় । জলের ধর্ম যেমন শীতলতা , আগুনের ধর্ম যেমন উত্তাপ তেমনি মানুষের ধর্ম হলো মনুষ্যত্ব । মনু্ষ্যত্বকে বিসর্জন দিয়ে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য যে নাটক , সিনেমা , উপন্যাস , সাহিত্য, গল্প, টিলিফিল্ম , সিরিয়াল তৈরী করে উপস্থাপন করা হয় তাই হলো বৈষম্যহীন প্রতিভা ।

মিজানুর রহমান আজহারি হিন্দু ভক্ত পর্ব -১


এই টেলিফিল্মটির প্রতিবাদ স্বরুপ মিজানুর রহমান আজহারির হিন্দু ভক্ত পর্ব -৫ দেওয়া হল । বিকৃত বৈষম্যহীনদের ধর্ম কেমন তার স্বরুপ একটু হলেও তুলে ধরা হয়েছে ।
আশা করি ভিডিও দেখবেন আর ভিডিও টি দেখার পরে যদি মনে হয় যে অন্য সনাতন ধর্মানুসারিদের ও দেখার প্রয়োজন আছে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করবেন , লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তরিত রোধে সংগঠন তৈরী করবেন এবং লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তরত রোধ করতে নাটক , সিনেমা তৈরী করে প্রচার করবেন

বাংলাদেশ পাকিস্তানে এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রচার , খুবই জনপ্রিয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় ভারত থেকে যখন – এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার ছাপ হিন্দুরাই রাখে তাদের সৃষ্টিকর্মে । নায়ক অথবা নায়িকা যে চরিত্রেই থাক না কেন , বৈষম্যহীন প্রতিভাধর ব্যক্তিদের কাজ হলো হিন্দুরা অন্য ধর্মের ছেলে অথবা মেয়েদের ভালোবেসে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করবে । এটাই হলো তাদের সৃষ্টিকর্ম ।
এরকম সৃষ্টিকর্মের কারনে আমরা দেখতে পাচ্ছি হিন্দু ছেলে মেয়েরা দ্রুত ধর্মান্তরিত হচ্ছে । আর এরকম বিকৃত মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রচার বৃদ্ধি পাচ্ছে । কারন হিন্দু ঘরের ছেলে মেয়েরা ধর্মীয় উদাসীন থাকে , তাই তারা হয় বিনোদনের উপর নির্ভরশীল , সনাতন ধর্মীয় গ্রন্থের সাথে থাকে না কোন সম্পর্ক ।
অন্যদিকে বৈষম্যহীন প্রতিভাধর ব্যক্তিরা হয় – শৈশব থেকে ধর্মভীরু , কট্টর আর হিন্দুরা হয় উদাসীন ।
হিন্দুরা মন্দিরে যায় কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জানে না , কারন মন্দিরের পুরোহিত রা ধর্ম বিষয়ে আলোচনা করে না তাই হিন্দুদের মন্দির শুধু ঢাক ঢোল আর যা মন্ত্র পাঠ ই যা হয় । তার বেশি কিছু নয় । সনাতন ধর্ম বিষয়ে জানতে হলে সনাতন ধর্মীয় গ্রন্থ পড়তে হবে । শ্রীমদ্ভগবদগীতার সাথে সম্পর্ক থাকতে হবে । তবেই হিন্দু ঘরের পরিবারেরর ছেলে মেয়ে ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারবে । হিন্দু ঘরের ছেলে মেয়েরা উচ্চশিক্ষিত হয় তবু ধর্মান্তরিত হয় কারন ধর্মের সাথে সম্পর্ক নেই , আর এরা প্রচন্ড রকমের উদাসীন । পরিবার থেকে শ্রীমদ্ভগবদগীতা অধ্যয়ন না শিখলেও কিন্তু দুষ্টদের প্রতি অগাধ মানবতা দেখাতে শিখে । দুষ্টদের প্রতি মানবতা আর ধর্মীয় উদাসীনতার জন্য হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হয় । অপর দিকে – মুসলিম সম্প্রদায়ের ঘরের ছেলে মেয়েরা যত উচ্চশিক্ষিত হউক না কেন , কুরআন বাধ্যতামূলক । যা তারা শৈশব থেকে পড়ে ।
ওরা জানে , হিন্দুরা নিজের ধর্ম বিষয়ে উদাসীন । তাই হিন্দুদের ব্রেন ওয়াস করা সহজ ।
যদিও মৌখিক ভাবে ব্রেন ওয়াস একটু কষ্ট দায়ক । তাই তারা মিডিয়া কে নির্বাচন করে হিন্দুরা যেন দ্রুত ধর্মান্তরিত হয় সেরক নাটক , সিনেমা ইত্যাদি তৈরী করছে ।
তাই সনাতন ধর্মানুসারিদের উচিত এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিরোধ করা । হিন্দুদের মাঝে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের ও উচিত বৈষম্যহীনদের প্রতিভার জবাব দেওয়ার জন্য বিপরীতে নাটক, সিনেমা, সিরিয়াল, উপন্যাস , সাহিত্যর প্রচার করা ।