৫৫ বছর বয়সি হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষনের পর হত্যা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে অঞ্জলি দাসকে (৫৫) ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
উপজেলার গুপ্তি পাশ্চিম ইউনিয়নের ৬ নম্বর খাজুরিয়া গ্রামের ধোপা বারীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত অঞ্জলি দাস খাজুরিয়া গ্রামের ধোপা বাড়ির প্রয়াত ইন্দ্রজিৎ দাসের বিধবা স্ত্রী ।
স্থানীয়রা জানায়, অঞ্জলি দাসের ছোট বোন পূর্ণিমা ও শ্যালক খোকন মঙ্গলবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর থেকে খাজুরিয়ায় তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তিনি সেখানে এসে দরজাটি তালাবন্ধ দেখেন। তাই আমরা আশে পাশের লোক জনদের জিজ্ঞাসা করি । জিজ্ঞাসা করে জানতে পারি যে,
সোমবার বিকেল থেকে বাড়ির দরজা বন্ধ । তিনি কোথায় গেছে সেখানকার লোকজন বলতেই পারছে না । পরে আমরা ঘরের জানালায় উঁকি দিয়ে দেখি যে, অঞ্জলির রক্তাক্ত মৃত শরীর ঘরের ভিতরে বিছানায় পড়ে আছে । এক বছর আগে ইন্দ্রজিৎ মারা গেছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলম জানান, খবর পেয়ে তিনি গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলেন। লাশের অবস্থান দেখে মনে হয় দুর্বৃত্তরা ধর্ষণ করে মহিলাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব জানান, হত্যার কথা শুনে তারা ঘটনাস্থলে যায়। লাশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য প্রেরণ করা হবে।

নিজের কন্যাকে ধর্ষনের অভিযোগে মাদ্রসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

দুই বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লোকটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক এবং তার বয়স 50 বছর। শুধু সেই ব্যক্তিই নয়, তিনি আরও তিন জনকে নিয়ে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে, তার কিশোরী মেয়ে গর্ভবতী হয়। লোকটি তখন তার মেয়েকে গর্ভপাত করে। মাদরাসার শিক্ষক রিয়াজ (১৯), ইয়াজ (২০) ও মোহাম্মদ আলীকে পুলিশ আটক করেছে। ১৯ জুলাই সোমবার নীলেশ্বর পুলিশ মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে পস্কো আইনে মামলা করেছে। ঘটনাটি কসরগড় জেলার নীলেশ্বর এলাকায়। তবে এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির তিনটি অভিযোগ ছিল। পুলিশ মাদরাসা শিক্ষককেও গ্রেপ্তার করে। তবে ওই শিক্ষক উচ্চ আদালতে জামিন পেয়েছেন। এছাড়া পুলিশ নাবালিকার মাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কারণ পুলিশ জানতে চায় যে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হচ্ছে তা জেনেও কেন তিনি চুপ করে ছিলেন। দুই বছর ধরে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছিল তা জানার পরেও তিনি প্রতিবাদও করেননি। তদুপরি, তিনি পুরানো মামলায় কীভাবে জামিন পেয়েছেন তাও ভাবছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা পিআর মনোজ আরও বলেছিলেন যে গর্ভপাত করানো চিকিত্সকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লোহগড়ায় হিন্দু মেয়েকে ধর্ষন

ধর্ষনের অভিযোগের সংবাদ আবার ও । এই অভিযোগ টি পাওয়া গেছে নড়াইলের লোহাগড়ায় গান্ধা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে । যেখানে সংখ্যালঘু পরিবারের মেয়েকে ধর্ষন করেছে বলে জানা যায় ।

ওই এলাকার বাসিন্দা ও মেয়ের বাবা স্বপন বিশ্বাস জানান, ওই এলাকার দুই দুস্কৃতি যাদের চরিত্র খারাপ এবং মেয়েদের ইভটিজিং করত তারা দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে অনুসরণ করে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন সময় তাকে ফোন করে।

স্বপন বিশ্বাস আরও বলেছিলেন যে তাঁর মেয়ে ফোনে একটি ছেলের সাথে কথা বলত এবং পরে এক পর্যায়ে তার প্রেমে পড়ে যায়।

তার পর থেকে আমার মেয়েকে বলা হয় যে, তুমি যার সাথে প্রেম কর তাকে নিয়ে আসতে হলে ঝাড় ফুক করে তেল পড়া ও পানি পড়া নিতে হবে । এসব কথা তৌফিক আহমেদ এবং ইমরান মিনা মোবাইলৈ আমার মেয়েকে বলা হয় ।

মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা গেছে, ধর্ষণের প্রথম ঘটনাটি বুধবার, ৮ জুলাই দুপুর ২ টার দিকে ঘটেছিল এবং তাকে লোহাগড়ের মদিনা পাড়ায় যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তিনি জিনিয়াসের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই রইচ এর বাড়িতে যান।

জিনিয়াস তাকে রইচের বাড়ির নির্জন ঘরে নিয়ে যায় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। আমি চিৎকার করার চেষ্টা করলে সে আমাকে হুমকি দেয়। এবং ধর্ষণ শেষে মেয়েটিকে তার বাসা ছেড়ে যায় এবং ধর্ষণের ঘটনা তাকে ভিতরে রাখে, কাউকে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে ।

মেয়েটি আরও জানায়, তারপরে রবিবার রাতে, ১২ জুলাই রাত ৯ টার দিকে। ইমরান মিনা তার মোবাইল ফোনে বলেছেন যে তিনি জিনিয়াসের সাথে সম্পন্ন করেছেন, এখন আপনি জল পড়া নিয়ে যান আর এর জন্য মিতালী স্কুলের পিছনে রাস্তায় আসুন ।

আমি যখন পাকা রাস্তায় যাই তখন ইমরান মিনা ও তার সাথে থাকা দু’জন লোক আমার মুখটি ধরে সুধীর ঠাকুরের বাগানে নিয়ে যায় এবং আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইমরান আমাকে ধর্ষণ করে।

তারপরে আমি রাস্তায় গাড়িতে আত্মহত্যা করতে যাই। ইমরান তখন আমাকে হাত ধরে শহিদের বাসায় নিয়ে যায় এবং শহীদকে তার বাড়ির কাছে বলতে বলে যে এই মেয়েটি বাসা থেকে ঝামেলা করছে। শহীদ আমার বাবাকে খবর দিলে তিনি আমাকে শহীদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আমি যখন আমার পরিবারকে ঘটনার কথা জানিয়েছিলাম, তখন আমার বাবা আশ্রয়ের ১৭ ব্যারাকের সভাপতি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনকে অবহিত করেছিলেন।

এরপরে তারা আশ্বাস দিয়েছিল যে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হবে। ধর্ষকের অভিভাবক সেখানে উপস্থিত না থাকায় কোনও বন্দোবস্ত পৌঁছানো হয়নি।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে, আমি, আমার মা এবং বাবা, আশ্রয়ের সভাপতি। আমি আবদুল খায়ের মোল্লার বিরুদ্ধে জেনিয়াস (৩৫) ও ইমরান মিনা (৩০) নামে লোহাগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

মুঠোফোনে লোহাগড় থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমানের সাথে কথা বলার পরে তিনি জানান, মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মসজিদের ইমামের ধর্ষনে মাদ্রসা শিক্ষার্থী অন্তঃসত্তা

চেয়ারম্যান রোড রাশেদিয়া জামে মসজিদের ইমাম ফয়সাল আহমেদ খানের বিরুদ্ধে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার ছাত্রী দুই মাসের গর্ভবতী হওয়ার পরে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরে , ইমাম ফয়সাল আহমেদ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় । ফরিদগঞ্জ উপজেলার আইলার রোড এলাকার উত্তর হাসা খান বারী জামে মসজিদের ইমাম ও রাহবার শিল্পী গোষ্ঠীর প্রধান ইমাম ওসমান ঘটনাটি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে ও বিভিন্ন রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ।
ধর্ষীতা মেয়ের মা জানিয়েছেন, মেয়েটি রোজ সকাল ৬ টায় কুরআন তেলাওয়াত পড়তে রাশেদিয়া জামে মসজিদের ইমাম ফয়সালের নিকটে যায়। এ সময় লম্পট ফয়সাল ছুটির পর আমার মেয়েকে দিয়ে মসজিদের সাথে যে রুমে তিনি থাকেন সে ঘরটি পরিষ্কার করতে বলেন।
এসময় ইমাম ফয়সাল সুযোগ বুঝে তার ঘরে ,ঢুকে ঘরের দরজা বন্ধ করে, মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড় ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারন করে তার মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে। তিনি তাকে ভয় দেখিয়ে এবং লোকজনকে নগ্ন ছবি দেখানোর হুমকি দিয়ে প্রতিদিন তার সাথে অবৈধ ভাবে শাররিক সম্পর্ক স্থাপন করত । মেয়েটি দুই মাসের গর্ভবতী তা বুঝতে পেরে তিনি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন যে কামুক ইমাম ফয়সাল তাকে ধর্ষণ করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরে, ফয়সাল মেয়েটিকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়, কিন্তু তার সহযোগী ইমাম ওসমান ও উত্তর হাসার জামে মসজিদের তারিক তাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে লুকিয়ে রাখে। বর্তমানে ধর্ষণকারী ফয়সাল আহমেদ এগার নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের ৮ ম ওয়ার্ডে তার বন্ধু ওসমানের বাড়িতে আত্মগোপন করছেন।
ফয়সালের বন্ধু ওসমানসহ বেশ কয়েকজন ব্যাক্তি এই ঘটনাটি আড়াল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন । ঘটনাটি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে জানানো হলে তারা পুলিশকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।

স্থানীয়দের মতে, ফয়সাল আহমেদ রাশিদিয়া জামে মসজিদের ইমাম হিসাবে কর্মরত। এই মসজিদে শিক্ষার্থীদের কুরআন শিক্ষা দেওয়ার নামে শিক্ষার্থীদের অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হতে বাধ্য করে ইমাম ফয়সাল আহমেদ । এর আগে বরিশালের এক মেয়ের সাথে ফয়সালের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তার সাথে অনৈতিক আচরণ করেছিল। এই ঘটনাটি ও তার সহযোগীরা সমাধান করেছিলেন।
অনেকের অভিযোগ, ওসমান ও তার সহযোগী তারেক ও মমিন রাহাবার শিল্পগোষ্ঠী নামে একটি সংস্থার সাথে জড়িত যা একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি । এ গোষ্ঠীর কার্যক্রম ও তারা চালিয়ে যাচ্ছে । বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও এ জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতায় জড়িত। সচেতন মহল গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।

রাশিদিয়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মান্নান হাজী বলেন, মসজিদে পড়াশুনা করতে আসা মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে পেরে ইমাম ফয়সাল এলাকা ত্যাগ করেছেন । আমরা চাই গর্ভবতী মেয়েটি যেন যথাযথ ন্যায়বিচার পায় এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। এদিকে, গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের প্রমাণ ও বিবৃতি গ্রহণ করলে তারা এই ঘটনার কথা জানতে পেরে ধর্ষক ফয়সাল আহমেদকে বাঁচাতে সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য ওই প্রতিবেদকদের অনুরোধ করেন ফয়সাল আহমেদের সহযোগী ওসমান এবং তারেক। এমনকি অর্থ দিয়ে ঘটনাটি আড়াল করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তারা ।
১২ নং চন্দ্র ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান খানজাহান আলী কালু পাটোয়ারী জানান, মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করা এবং গর্ভবতী হওয়ার পরে তার পরিবার ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করতে এসেছিল। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ফয়সাল পলাতক রয়েছে। এক্ষেত্রে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কোনও পরিস্থিতিতে ছাড় দেওয়া হবে না।

নিজের ছোট ভাইয়ের বউকে ৯ দিন ধরে ধর্ষন

শ্রীবরদী উপজেলা সদরে এক গৃহবধূ (১৮) তার ভাসুর দ্বারা নয় দিন ধরে ধর্ষিত হয়েছে । গৃহবধূর শাশুড়ী এই কাজটিতে তার ভাসুরকে সহায়তা করেছিলেন বলে জানা গেছে । ঘরে তালাবদ্ধ করে ওই গৃহ বধুকে ধর্ষন করেছে , যেন বাইরে থেকে বুঝা না যায় , এমন অভিযোগ ও পাওয়া গেছে ।

গৃহবধূ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে বুধবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন তারই পরিপ্রেক্ষিতে পরে ধর্ষনের অভিযোগে পুলিশ ২৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ মাস আগে মেয়েটির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তার ভাসুর তার প্রতি কুনজর দিতে থাকে এবং প্রেমে পড়ে যায়। তার স্বামী অটোরিকশা চালক। প্রতিদিন সকালে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাইরে যান ভাড়ার জন্য আর উপার্জন শেষে রাতে ফিরে আসেন বাড়িতে ।

এ সুযোগকে কাজে লাগায় তার ভাসুর । ২৮ মে তার শ্বশুর বাড়িতে তাকে ধর্ষণ করে তার ভাসুর । ধর্ষন করার ঘটনাটি যেন তার স্বামী বা অন্য কাউকে না বলে সে জন্য তাকে ভয় ভীতি দেখানো হয় ।

রোজ সকালে গৃহবধূর স্বামী বাড়ি থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তার ভাসুর তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে এবং ধর্ষণ করে। বিবেকের দংশনে দংশিত হয়ে গৃহবধু নয় দিন এভাবে চলার পরে তিনি স্বামীকে সমস্ত ঘটনার কথা জানিয়ে দেন । সব কিছু শোনার পর সেই মুহুর্তে, তার স্বামী নিজেই নিজেকে হত্যার চেষ্টা করে। পরে তারশ্বশুর ও শাশুড়ি তার ছেলেকে পুনরায় বিয়ে করতে বলে ।

নিরুপায় গৃহবধূ আইনের শরনাপন্ন হতে চাইলে তার স্বামী তাকে নিষেধ করে । এক পর্যায়ে গৃহবধূ বাড়ি থেকে পালিয়ে বাবার বাড়িতে যেতে সক্ষম হন। তারপরেও তিনি কয়েকদিন লুকিয়েছিলেন যখন শ্বশুর বাড়ির লোকেরা তাকে হুমকি দিয়ে চলে যাতে থানায় মামলা না করতে পারে । সেখান থেকে বুধবার তিনি থানায় গিয়ে ধর্ষনের মামালা দায়ের করেন ।

শ্রীবরদী থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, “এই ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে তার ভাসুর, শাশুড়ী এবং শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।” তার ভাসুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে । তার স্বামী সহ শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ধর্মপ্রচারক পীরের ধর্ষনে গর্ভবতী তরুণী

মাদারীপুরে এক পীরের লালসার শিকার হয়ে এক তরুণী গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । সদর উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকার পীর ওয়াহিদ চানের দৃষ্টি পড়ে ওই মেয়েটির উপর । আর এর ফলি পীর মেয়েটের সাথে অবৈধ্য ভাবে শাররিক সম্পর্ক তৈরী করে । পড়ে এ ঘটনা টি এক পর্যায়ে পুরো গ্রামে ছাড়খাড় হয়ে যায় ।

গ্রামবাসী যখন জানতে পারেন বিষয়টি , তখন তারা পীরের উপর চাপ দিতে শুরু করে। এবং পীর নিরুপায় হয়ে তরুণীটেকে বিয়ে করে । স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পীর ওয়াহিদ চানের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার বাকপুরা নামক একটি জায়গায়। তিনি বর্তমানে আছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকায় । যেখানে একটি কুটির আছে আর তার ভক্ত রা সেখানে আসত । এক সময় এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁর ভক্ত ও শিষ্য হয়ে যায় তার আচার ও নিষ্টা দেখে । এই ভক্তদের মধ্যে একজনের উপর, পীর ওয়াহিদ চানের কুদৃষ্টি পড়ে । ,তরুণীটির বয়স অল্প ।

পরে তিনি মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যুবতী এক পর্যায়ে গর্ভবতী হন। এর পরে, এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে গত মঙ্গলবার পীরের উপরে চাপ প্রয়োগ করে । বিষয়টি অবগত না হয়ে সে মেয়েটিকে বিয়ে করে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। তবে অভিযুক্ত পীর ওয়াহিদ চাঁন বলেছিলেন, “আমি মেয়েকে বিয়ে করেছি।” তিনি এখন আড়াই মাস গর্ভবতী। মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেছেন,

এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে, এলাকার সাধারণ এবং সাধারণ মানুষ তার ভক্ত এবং শিষ্য হয়ে ওঠে। এই ভক্তদের মধ্যে একজনের উপর , পীর ওয়াহিদ চানের, একটি কুদৃষ্টি পড়ে ।

টাঙ্গাইল: হিন্দু নাবালিকা মেয়েকে ইসলামে ধর্মান্তরের জন্য অপহরন

সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া নাবালিকা মেয়ে লক্ষ্মীরানি চক্রবর্তীকে(১৫) কে ১৮ জুন ২০২০ , তার স্কুল শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট যাওয়ার পথ থেকে ইসলাম গ্রহণের জন্য কিছু দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় । অপহরকরা মেয়েটিকে কোথায় রেখেছে তা সন্ধান করে বের করতে ব্যর্থ হওয়ায় পুলিশ এখন ও মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি।
মেয়েটি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার অন্তর্গত হেমনগর শশিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
অপহরণকারীরা হলেন-
১) মোহাম্মদ ইউসুফ (২০)
২) মোহাম্মদ আজমোহর (৬৪),
৩) মোহাম্মদ কলেজ (৪৫)
৪) মোহাম্মদ মনি (২৮),
৫) মোহাম্মদ নজরুল (৩৬)
৬) মোসাম্মত নূর নাহার (৩৫)।
মেয়েটির মা ভগবতী চক্রবর্তী (৩৫) তার স্বামী গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী বাংলাদেশ সংখ্যালঘু মাইনরিটি ওয়াচকে বলেছেন: –
অভিযুক্তরা একে অপরের সহযোগিতায় আমার মেয়ের মুখ চেপে ধরে জোর করে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে ইসলামে ধর্মান্ত করার অভিপ্রায় নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে সরিষাবাড়ী থানার অভিমুখে নিয়ে যায়। সাক্ষীরা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেছে “

মেয়ের মা বাদী হয়ে ১ জুলাই, ২০ জুলাই গোপালপুর থানায় মহিলা ও শিশু নির্যাতন আইনের ৭/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
বাংলাদেশ সংখ্যালঘু ওয়াচের পক্ষে বক্তব্য রেখে অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ থানার অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে কথা বলেছেন। মেয়েটির মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বাংলাদেশের মাইনরিটি ওয়াচকে বলেছিলেন যে তার মেয়ে নাবালিকা হলেও অভিযুক্তরা প্রভাবশালী ছিল। “আমি আমার মেয়েকে ফিরে চাই এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি করি।”
বাংলাদেশ সংখ্যালঘু ওয়াচ এই জাতীয় হিন্দু মেয়ে অপহরণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে অবিলম্বে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।

মধ্যরাতে বাঁশবাগানে ধর্ষন শেষে ধর্ষিতার দেহ টয়লেটে রেখে ধর্ষকের পলায়ন

স্কুল ছাত্রীকে (১6) ধর্ষণ করার পরে ধর্ষণকারী তাকে টয়লেটে নগ্ন অবস্থায় রেখে, একটি বস্তা দিয়ে ঢেকে কে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের সীতপাড়া এলাকায় ঘটেছে । ২২ বছর বয়সি ধর্ষকের নাম রুবেল হোসেন । ওই ইউনিয়নের যে স্থানে বাড়ি সে এলাকার নাম হেংগাডোবা এলাকা। জানা গেছে রুবেল হোসেন (২২) এলাকার মফিজুল ইসলামের ছেলে।

রবিবার স্কুল ছাত্রীর বাবা রুবেলের বিরুদ্ধে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে রুবেল পলাতক রয়েছে। এদিকে গুরুতর অবস্থায় মেয়েটিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার পরিবার দাবি করেছে যে রুবেলের প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ার কারণে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

মামলার সুত্র ধরে জানা যায় , পাশের গ্রামের রুবেল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দশম শ্রেণির ছাত্রকে হয়রানি করছিলেন। স্কুলে যাওয়ার পথে সে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। স্কুলছাত্রী বিষয়টি তার বাবা-মার কাছে জানালে তারা রুবেলের পরিবারকেও জানায়। রুবেল আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গত শনিবার মধ্যরাতে তিনি প্রস্রাব করতে বেরিয়ে গেলে রুবেল হোসেন পেছন থেকে মেয়ের মুখটি ধরে বাঁশের বাগানে নিয়ে যায়। সে তাকে সেখানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে, যখন মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়, রুবেল তাকে তার ঘরের টয়লেটে নগ্ন করে রেখেছিল, তার উপরে একটি ফাঁকা বস্তা ঢেকে রেখে , সেখান থেকে দ্রত প্রস্থান করে ।

এদিকে, পরিবারের সদস্যরা ঘরে না পাওয়ায় মেয়েটির সন্ধান শুরু করে। পরে তারা বাঁশের ঝোপে রুবেলের জুতো, অন্তর্বাস এবং মেয়েটির পোশাক পেয়ে যায়। তবে কিশোরীকে পাওয়া যায়নি। পরদিন সকালে পরিবার টয়লেটে গিয়ে তাকে নগ্ন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাকে পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষা করা ও তার জবানবন্দি নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ধর্ষকদের হাত থেকে বাঁচতে মেঘনা নদীতে ঝাপ কিশোরীর

ভোলার তাজুমউদ্দিনের এক কিশোরী লঞ্চ কর্মীদের হাত থেকে বাঁচাতে মেঘনা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। প্রায় ৩ ঘন্টা নদীতে ভাসমান থাকার পরে তিনি জেলেদের সহায়তায় নতুন জীবন ফিরে পান ।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় তাজমুদ্দিনের ভূইয়া গ্রামের কাছে মেঘনা নদীর তীরে ঘটনাটি ঘটে যখন কাজের সন্ধানে কর্ণফুলী -13 লঞ্চের যাত্রী হিসাবে ঢাকায় যাচ্ছিলেন 17 বছর বয়সী এই কিশোরী।

এদিকে লঞ্চ কর্মীরা তাকে উদ্ধার না করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি তাজুমউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মেয়েটি মেঘনার মাঝখানে তেলিয়ার চরের কবির হোসেনের মেয়ে।

হাসপাতালে ভর্তি ওই কিশোরী জানান, কাজের সন্ধানে ঢাকায় যাওয়ার জন্য শনিবার সন্ধ্যায় তাজুমউদ্দিন ঘাট থেকে কর্ণফুলী -13 লঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। লঞ্চটি তে উঠার মুহুর্ত থেকেই তাকে বেশ কয়েকজন কর্মী দ্বারা উত্যকত্ ও হয়রানি করা হয় । এক পর্যায়ে লঞ্চের কেবিনে ঢোকানোর জন্য টানতে থাকে । অসহায় হয়ে সে মেঘনা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করতে একটি বয়া ফেলেছিল, তবে জলের স্রোত বেশি থাকায় বয়াটিকে ধরতে পারেনি। পরে লঞ্চটি তাকে উদ্ধার না করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রায় 3 ঘন্টা পরে একজন জেলেদের ট্রলার এসে তাকে উদ্ধার করে তাজুমউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করে।

উদ্ধারকৃত নৌকার জেলে রায়হান জানান, তারা নদীতে মাছ ধরার জন্য ট্রলার প্রস্তুত করছিলেন। এই মুহুর্তে, নদীর মাঝখানে, যখন তারা মেয়েটিকে ‘আমাকে বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও’ বলে চিৎকার করতে শুনল, তারা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে মিজান তালুকদারসহ স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তাজুমউদ্দিন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন পোদ্দার জানান, উদ্ধার শেষে জেলেরা তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে তারা ইউএনও ও ওসির সাথে কথা বলে হাসপাতালে ভর্তি করান । মেয়েটি আরও বলেছিল যে লঞ্চের কর্মীরা তাকে টানাটানি করছিল ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো। কবির সোহেল জানান, নদীতে লাফ দেওয়ার সময় কিশোর তার ডান হাতে আঘাত পায় । জেলেরা তাকে নদী থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে, যেখানে তার চিকিত্সা করা হচ্ছে। বর্তমানে ঝুঁকি মুক্ত।

তাজুমউদ্দিন থানার ওসি এসএম জিয়াউল হক জানান, চিকিৎসার পরে মেয়েটির জবানবন্দির পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পিতামাতাদেরও খুঁজে পেয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

তাজুমউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল নোমান জানান, হাসপাতালে মেয়েটিকে সুস্থ হওয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। মেয়েটির মতে, দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে লঞ্চের সমস্ত কর্মীদের ডাকা হবে।

কর্ণফুলী -13 লঞ্চের মালিক। সালাউদ্দিন মিয়া জানান, উদ্বোধনের কোনও কর্মী এ জাতীয় ঘটনায় জড়িত ছিলেন না। মেয়েটি লাফ দেওয়ার পরে বয়াটিকে লঞ্চ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। ধরতে পারিনি। বিলম্ব না করে তাকে অন্য ট্রলারে উদ্ধার করা হয়েছিল।

লঞ্চ কর্মীদের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, কিশোর ইঞ্জিনের কাছে একটি সিট নিয়েছিল। স্টাফ জানিয়েছে যে তার পাশের সিট নিয়ে বসে থাকা কিছু ছেলে মেয়েটিকে হয়রানি করছিল।

ভারত মাতার বুক থেকে অকালে নিভে গেল একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র

জ্যোতি কুমারী তার অসুস্থ পিতাকে লকডাউনে আটকে থাকার সময় হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে বিহারের দ্বারভাঙ্গায় তাঁর বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য 1,500 কিলোমিটার সাইকেল চালিয়েছিলেন। তাকে গণধর্ষণ ও স্থানীয় দুর্বৃত্তরা হত্যা করে । গত ৪ জুলাই শনিবার অর্জুন মিশ্র ও তার বন্ধুরা জ্যোতিকে তাদের গ্রামে গণধর্ষণ করে হত্যা করে এবং তাকে মাঠে রেখে যায়। এর প্রশংসা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভানকা ট্রাম্প টুইট করেছেন এবং ভারত সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রকের কাছে জ্যোতিকে আন্তর্জাতিক স্তরের সাইক্লিং প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। সেই সময়, পুরো দেশটি জ্যোতির প্রশংসা করেছিল। ইভানকা ভুলে গিয়েছিলেন যে এই ভারত, যেখানে নিম্ন বর্ণের পিতার কন্যার বড় হওয়ার কোনও অধিকার নেই, এভাবেই তাদের মরতে হয়, এভাবেই তাদের ধর্ষণ করা হয় এবং হত্যা করা হয়।

স্থানীয়রা এর পরিণতি নিয়ে ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেছেন।
আমরা অনেক শিক্ষিত ভাই-বোনকে সুশান্ত সিংয়ের আত্মহত্যার প্রতিবাদে চিৎকার করতে দেখেছি, এবার ছোট বোন জ্যোতির জন্য তারা কী করে তা দেখার পালা এবার ।
মা ভারতীও আজ লজ্জা পায় কুলাঙ্গাদের জন্য যা জন্য মা ভারতীও আজ ধর্ষিত।