শেখ নরুলের নেতৃত্বে হিন্দুদের উপর হামলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত পাথরপ্রতিমা এলাকায়

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত পাথরপ্রতিমা এলাকায় বিজেপি সমর্থক হিন্দুরা আকান্ত্র দুষ্কৃতিদের হামলার শিকার হল । ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার, ৬-৭-২০২০ সন্ধ্যে বেলায় । আকস্মিক এই রকম হামলা হবে তা কখনো কল্পনা করতে পারে নি , সেখানকার হিন্দুরা । এরা কখন যে ভাল কখন যে খারাপ , তা ওরা ছাড়া কেউ জানে না ।

তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী শেখ নুরুল তার দলবল নিয়ে বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা চালায়। কারণ ওই পরিবারটি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এর জন্মবার্ষকীতে পতাকা উত্তোলন করতে যায়। ওই এলাকার মানুষদের দাবি প্রায় মুসলিমরা দলবল নিয়ে এসে হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে।

আক্রান্তরা প্রত্যেকেই বেজিপি করে । এদের একমাত্র দোষ হল এরা বিজেপি করে । আর এরা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুর্খার্জির জন্ম বার্ষীকিতে পতাকা উত্তোলন করতে চেয়েছিল । আর এটাই এদের অন্যায় । এই অন্রঅয়ের শাস্তি স্বরুপ তাদের উপর আক্রমন করে শেখ নুরুল ও তার দলবলের লোক জন ।
আক্রান্ত হিন্দু মহিলা বলেছেন, যে নুরুল ও তার দলবলের লোকজন , মহিলাদের গলা টিপে মারার চেষ্টা করছে ছে এবং শাররিক নির্যাতন তো করছেই । আমাদের অনেক মহিলা আহত হয়েছে এই আক্রমণে । আসরা ভারতের এই পশ্চিমবৃঙ্গে অনিশ্চয়তায় জীবন যাপন কাটাতে হচেছ এখন । পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য মন্ত্রি মমতা এখনো কোন ব্যবস্থা নেয় নি এরকম দুস্কৃতিকারিদের বিরুদ্ধে ।
আক্রান্ত মহিলা আরো বলেন , আমাদের পড়নের কাপর ধরে টানাটানি করেছে , আমরা আমাদের সম্ভ্রন বাচাতে কাপড় ছিড়ে গেছে , তবু তারা ক্ষান্ত হয় নি । সন্ধ্যা ৭ টায় তারা অতর্কিত হামলা চালায় ।
জানা গেছে- শেখ নুরুল তৃণমুল দলের সাথে যুক্ত এবং দক্ষিন ২৪ পরগণার পাথরপ্রতিমা গ্রামে হিন্দুদের উপর যে হামলা হবে তা পুলিশ ও প্রশাসন জানত । পুলিশ কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয় নি শেখ নুরুল ও তার দলবলের লোকজনের উপর । পুলিসের মদদ ও নাকি এই ঘটনায় ছিল , স্থানীয় অনেকেই একমটাই বলেছেন ।

আক্রান্তে আহত এক হিন্দু মহিলা বলেন, যখন আমাদের উপর হামলা হয় আমরা পুলিশ ষ্টেশনে ফোন করি । কিন্তু তারা আসে না । আমাদের উপর হামলার ২ ঘন্টা হয়ে গেল , পুলিশ ঘটনা স্থলে আসে নি ।
অবশ্যই পুলিশের হাত ছিল এঘটনায় , যদি না থাকত অবশ্যই ফোন পাওয়ার সাথে সাথে প্রশাসনের লোক আসত । কিন্তু তা আসে নি ।

আক্রান্তে আহত অভিজিৎ সেন আরো বলেন- আমার পরিবারের সবাই কে শেখ নুরুল ও তার দলবল আহত করে দেয় । মেয়ে এবং মহিলা বাদ যায় নি । শ্যামা প্রসাদের জন্ম বার্ষিকীতে পতাকা উত্তোলন করতে যায় । সেখানে এক তৃণমূলী কর্মী বলেন , তোরা তো তৃণমূলে ছিলে , বিজেপিতে এসেছে । তাহলে তোদের রাতে একটা ব্যবস্থা নেওয়া হবে । আর সন্ধ্যা ৭ টায় তারা আমাদের বাড়িতে আক্রমন করে ।

শেখ নুরুলের বাড়ি দাস পুরের । আর নেতুত্বে হিন্দু বাড়িতে আক্রমন করে ১৫০ জন মুসলিম । দাস পুরের মুসলিম কলোনির সকল মুসলিমেই শেখ নুরুলের হয়ে কাজ করে । পশ্চিমবঙ্গে এযাবত যত বার হিন্দুরদর উপর হামলা হয়েছে তার নেতৃত্বে মুসলিমরাই ছিল ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *