লোহগড়ায় হিন্দু মেয়েকে ধর্ষন

ধর্ষনের অভিযোগের সংবাদ আবার ও । এই অভিযোগ টি পাওয়া গেছে নড়াইলের লোহাগড়ায় গান্ধা আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে । যেখানে সংখ্যালঘু পরিবারের মেয়েকে ধর্ষন করেছে বলে জানা যায় ।

ওই এলাকার বাসিন্দা ও মেয়ের বাবা স্বপন বিশ্বাস জানান, ওই এলাকার দুই দুস্কৃতি যাদের চরিত্র খারাপ এবং মেয়েদের ইভটিজিং করত তারা দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে অনুসরণ করে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন সময় তাকে ফোন করে।

স্বপন বিশ্বাস আরও বলেছিলেন যে তাঁর মেয়ে ফোনে একটি ছেলের সাথে কথা বলত এবং পরে এক পর্যায়ে তার প্রেমে পড়ে যায়।

তার পর থেকে আমার মেয়েকে বলা হয় যে, তুমি যার সাথে প্রেম কর তাকে নিয়ে আসতে হলে ঝাড় ফুক করে তেল পড়া ও পানি পড়া নিতে হবে । এসব কথা তৌফিক আহমেদ এবং ইমরান মিনা মোবাইলৈ আমার মেয়েকে বলা হয় ।

মেয়েটির সাথে কথা বলে জানা গেছে, ধর্ষণের প্রথম ঘটনাটি বুধবার, ৮ জুলাই দুপুর ২ টার দিকে ঘটেছিল এবং তাকে লোহাগড়ের মদিনা পাড়ায় যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তিনি জিনিয়াসের সঙ্গে তাঁর ছোট ভাই রইচ এর বাড়িতে যান।

জিনিয়াস তাকে রইচের বাড়ির নির্জন ঘরে নিয়ে যায় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। আমি চিৎকার করার চেষ্টা করলে সে আমাকে হুমকি দেয়। এবং ধর্ষণ শেষে মেয়েটিকে তার বাসা ছেড়ে যায় এবং ধর্ষণের ঘটনা তাকে ভিতরে রাখে, কাউকে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকে ।

মেয়েটি আরও জানায়, তারপরে রবিবার রাতে, ১২ জুলাই রাত ৯ টার দিকে। ইমরান মিনা তার মোবাইল ফোনে বলেছেন যে তিনি জিনিয়াসের সাথে সম্পন্ন করেছেন, এখন আপনি জল পড়া নিয়ে যান আর এর জন্য মিতালী স্কুলের পিছনে রাস্তায় আসুন ।

আমি যখন পাকা রাস্তায় যাই তখন ইমরান মিনা ও তার সাথে থাকা দু’জন লোক আমার মুখটি ধরে সুধীর ঠাকুরের বাগানে নিয়ে যায় এবং আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ইমরান আমাকে ধর্ষণ করে।

তারপরে আমি রাস্তায় গাড়িতে আত্মহত্যা করতে যাই। ইমরান তখন আমাকে হাত ধরে শহিদের বাসায় নিয়ে যায় এবং শহীদকে তার বাড়ির কাছে বলতে বলে যে এই মেয়েটি বাসা থেকে ঝামেলা করছে। শহীদ আমার বাবাকে খবর দিলে তিনি আমাকে শহীদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আমি যখন আমার পরিবারকে ঘটনার কথা জানিয়েছিলাম, তখন আমার বাবা আশ্রয়ের ১৭ ব্যারাকের সভাপতি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনকে অবহিত করেছিলেন।

এরপরে তারা আশ্বাস দিয়েছিল যে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হবে। ধর্ষকের অভিভাবক সেখানে উপস্থিত না থাকায় কোনও বন্দোবস্ত পৌঁছানো হয়নি।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে, আমি, আমার মা এবং বাবা, আশ্রয়ের সভাপতি। আমি আবদুল খায়ের মোল্লার বিরুদ্ধে জেনিয়াস (৩৫) ও ইমরান মিনা (৩০) নামে লোহাগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

মুঠোফোনে লোহাগড় থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমানের সাথে কথা বলার পরে তিনি জানান, মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *