লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তর প্রতিরোধে বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিবাদ

আসুন বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিবাদ জানাই । অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে সংস্কৃতি কখনো এক তরফা হতে পারে না । বৈষম্যহীন প্রতিভা হলো- মিডিয়া জগতে সনাতন ধর্মকে বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করে , সনাতন ধর্মানুসারি হিন্দুদের দিক ভ্রান্ত করনে নাটক , সিনেমা টেলিফিল্ম , সিরায়াল , উপন্যাস প্রচার করা । এই প্রতিভার সাম্যতার জন্য বৈষম্যহীন প্রতিভার অধিকারীদের উচিত এরকম প্রতিভা বিকশিত না করা ।

এদের প্রতিভা এতই বিকৃত সম্পূর্ণ যে , সনাতন ধর্মানুসারিদের ধর্মান্তরিত করাই হল এদের প্রধান বিষয় । ধর্ম কি ধর্মান্তরে ? ধর্ম তো থাকে তার কর্মে এবং সত্তায় । ধর্মান্ধদের ধারনা , সনাতন অনুসারি হিন্দুদের ধর্মান্তরিত করতে পারলে মানুষ প্রকৃত ধর্মানুসারি হবে ।

ধর্ম কখনো ধর্মান্তরে নয় । জলের ধর্ম যেমন শীতলতা , আগুনের ধর্ম যেমন উত্তাপ তেমনি মানুষের ধর্ম হলো মনুষ্যত্ব । মনু্ষ্যত্বকে বিসর্জন দিয়ে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য যে নাটক , সিনেমা , উপন্যাস , সাহিত্য, গল্প, টিলিফিল্ম , সিরিয়াল তৈরী করে উপস্থাপন করা হয় তাই হলো বৈষম্যহীন প্রতিভা ।

মিজানুর রহমান আজহারি হিন্দু ভক্ত পর্ব -১


এই টেলিফিল্মটির প্রতিবাদ স্বরুপ মিজানুর রহমান আজহারির হিন্দু ভক্ত পর্ব -৫ দেওয়া হল । বিকৃত বৈষম্যহীনদের ধর্ম কেমন তার স্বরুপ একটু হলেও তুলে ধরা হয়েছে ।
আশা করি ভিডিও দেখবেন আর ভিডিও টি দেখার পরে যদি মনে হয় যে অন্য সনাতন ধর্মানুসারিদের ও দেখার প্রয়োজন আছে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করবেন , লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তরিত রোধে সংগঠন তৈরী করবেন এবং লাভ জিহাদ ও ধর্মান্তরত রোধ করতে নাটক , সিনেমা তৈরী করে প্রচার করবেন

বাংলাদেশ পাকিস্তানে এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রচার , খুবই জনপ্রিয় । কিন্তু দুঃখের বিষয় ভারত থেকে যখন – এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার ছাপ হিন্দুরাই রাখে তাদের সৃষ্টিকর্মে । নায়ক অথবা নায়িকা যে চরিত্রেই থাক না কেন , বৈষম্যহীন প্রতিভাধর ব্যক্তিদের কাজ হলো হিন্দুরা অন্য ধর্মের ছেলে অথবা মেয়েদের ভালোবেসে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করবে । এটাই হলো তাদের সৃষ্টিকর্ম ।
এরকম সৃষ্টিকর্মের কারনে আমরা দেখতে পাচ্ছি হিন্দু ছেলে মেয়েরা দ্রুত ধর্মান্তরিত হচ্ছে । আর এরকম বিকৃত মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রচার বৃদ্ধি পাচ্ছে । কারন হিন্দু ঘরের ছেলে মেয়েরা ধর্মীয় উদাসীন থাকে , তাই তারা হয় বিনোদনের উপর নির্ভরশীল , সনাতন ধর্মীয় গ্রন্থের সাথে থাকে না কোন সম্পর্ক ।
অন্যদিকে বৈষম্যহীন প্রতিভাধর ব্যক্তিরা হয় – শৈশব থেকে ধর্মভীরু , কট্টর আর হিন্দুরা হয় উদাসীন ।
হিন্দুরা মন্দিরে যায় কিন্তু ধর্ম সম্পর্কে জানে না , কারন মন্দিরের পুরোহিত রা ধর্ম বিষয়ে আলোচনা করে না তাই হিন্দুদের মন্দির শুধু ঢাক ঢোল আর যা মন্ত্র পাঠ ই যা হয় । তার বেশি কিছু নয় । সনাতন ধর্ম বিষয়ে জানতে হলে সনাতন ধর্মীয় গ্রন্থ পড়তে হবে । শ্রীমদ্ভগবদগীতার সাথে সম্পর্ক থাকতে হবে । তবেই হিন্দু ঘরের পরিবারেরর ছেলে মেয়ে ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারবে । হিন্দু ঘরের ছেলে মেয়েরা উচ্চশিক্ষিত হয় তবু ধর্মান্তরিত হয় কারন ধর্মের সাথে সম্পর্ক নেই , আর এরা প্রচন্ড রকমের উদাসীন । পরিবার থেকে শ্রীমদ্ভগবদগীতা অধ্যয়ন না শিখলেও কিন্তু দুষ্টদের প্রতি অগাধ মানবতা দেখাতে শিখে । দুষ্টদের প্রতি মানবতা আর ধর্মীয় উদাসীনতার জন্য হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হয় । অপর দিকে – মুসলিম সম্প্রদায়ের ঘরের ছেলে মেয়েরা যত উচ্চশিক্ষিত হউক না কেন , কুরআন বাধ্যতামূলক । যা তারা শৈশব থেকে পড়ে ।
ওরা জানে , হিন্দুরা নিজের ধর্ম বিষয়ে উদাসীন । তাই হিন্দুদের ব্রেন ওয়াস করা সহজ ।
যদিও মৌখিক ভাবে ব্রেন ওয়াস একটু কষ্ট দায়ক । তাই তারা মিডিয়া কে নির্বাচন করে হিন্দুরা যেন দ্রুত ধর্মান্তরিত হয় সেরক নাটক , সিনেমা ইত্যাদি তৈরী করছে ।
তাই সনাতন ধর্মানুসারিদের উচিত এরকম বৈষম্যহীন প্রতিভার প্রতিরোধ করা । হিন্দুদের মাঝে প্রতিভাবান ব্যক্তিদের ও উচিত বৈষম্যহীনদের প্রতিভার জবাব দেওয়ার জন্য বিপরীতে নাটক, সিনেমা, সিরিয়াল, উপন্যাস , সাহিত্যর প্রচার করা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *